সফেদার সবথেকে বড় উপকারিতা গুলো।

 

সফেদার- সবথেকে বড় উপকারিতা গুলো। অনেক অখ্যাত ফল বিখ্যাত হয়ে যায় তার নিজস্ব হাজার ও গুনের কারণে এবং নানা ধরনের পুষ্টি ভিটামিন থাকার কারণে। এমনই এক বিখ্যাত ফল হল সফেদা ফল পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে আমাদের শরীরের প্রধান যন্ত্র আমাদের লিভার তন্ত্র আমাদের যদি কোন রকম অসুবিধা মধ্যে পড়ে তাহলে তার প্রভাব শরীরের মধ্যে দেখা দেয় লিভার তন্ত্র কি সার্বিক উন্নতি করতে এই ফলের জাদুর মত কাজ করে তাছাড়া আরও হাজারে উপকারিতা একটি ফল। ভিটামিন ই ভরপুর ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, ভিটামিন ভিটামিন ই, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন বি, ফলের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায়।

হরমোন নিয়ন্ত্রন: সফেদাতে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন থাকার কারণে থাইরক্সিন হরমোন গঠনে সহায়তা করে। যার ফলে মানব দেহে থাইরক্সিন হরমোনের অভাব কোনদিন দেখা দেয় না। থাইরোট্রপিক হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে তার ফলে সঠিক মাত্রায় থাইরোট্রপিক হরমোন আমাদের শরীরের ভেতর ক্ষরিত হয়। থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ ঠিক রাখে। আমরা জানি মানবদেহে কতটা গুরুত্বপূর্ণ থাইরয়েড হরমোন থাইরয়েড হরমোনের কারণে আমাদের নানা রকম রোগ দেখা দেয় এবং সমস্ত রকম থাইরয়েড হরমোন জনিত রোগ বলা সারাতে সফেদা অপরিসীম গুরুত্ব রাখে।

ভিটামিন সি++: সফেদাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকার কারণে মানবদেহে মুখমন্ডলে সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং সমগ্র ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। লোহিত রক্ত কনিকা ও অনুচক্রিকা গঠনে সহায়তা করে। দাঁতের মাড়িকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। কলা কোষে হাইড্রোজেন বিযুক্ত করে জারণ-বিজারণ ক্রিয়ায় সাহায্য করে। বাধ্যক্য প্রতিরোধ করতে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করে থাকে।

দাঁতের সমস্যায়: দাঁতের সমস্যায় বর্তমানে অনেকে হাজারো অসুবিধার মধ্যে আছে দাঁত হলে এমন একটি মূল্যবান যে আমাদের সমস্ত রকম শক্ত খাবার ভেঙে টুকরো করে খেতে সাহায্য করে আমরা যদি তাদের খাবার ভেঙে টুকরো করতে না পারি এবং সেই খাবারে লালা রস যদি ঘড়িতে না হয় তাহলে সেই খাবার কোনদিনই আমাদের শরীরে যে হজম হবে না এবং আমরা হাজারো সমস্যায় পড়ে যাব তবে আমরা যদি নিয়মিত খাই তাতে যাবতীয় সমস্যা আমাদের আর দেখা দেবে না তার কারণ হলো এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, নাইট্রেট, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, যার ফলে আমাদের যাবতীয় সমস্যা গুলো দ্রুত সারাতে সহায়তা করে দাও সুন্দর চকচকে এবং শক্ত এবং অনেক সুস্থ যার ফলে আমরা প্রতিনিয়ত অনেক সুস্থ বোধ উপভোগ করতে পারি তাই এটি নিয়মিত মাঝেসাজে খান।

হিমোগ্লোবিন: আমরা কমবেশি প্রায় সকলেই জানি আমাদের শরীরের রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য ঠিক রাখা কতটা প্রয়োজন আছে আমরা জানি আমাদের রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে আমাদের রক্ত আর টকটকে লাল দেখাবেনা রক্ত আস্তে আস্তে ফ্যাকাসে হয়ে যাবে এবং অক্কে অক্কে অক্কে জলের পরিমাণ বেশি হয়ে যাবে এবং আমাদের শরীরে রক্ত আস্তে আস্তে কমজোরি হয়ে যাবে এবং আমরা নানা রকম রোগ যেমন ভাইরাসে আক্রান্ত সহজেই হতে থাকব। কিন্তু সফেধাতে প্রচুর লৌহ থাকার কারণ রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সব সময় সাহায্য করে থাকে।

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে কম থাকার কারণে আমাদের রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব, এবং আমাদের পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিলে জিভে ঘা দেখা দেয় এটি এই রোগটিকে সারাতে সাহায্য করে, এবং মানবদেহে ডিএনএ গঠন উৎপাদনে সহায়তা করে। সহজে কার্বোহাইড্রেট বিপাকে শর্করা ও মস্তিষ্ক জারণ প্রোটিন ও স্নেহপদার্থ সংশ্লেষে সাহায্য করে থাকে। সায়ানোকোবালামিন দেহের সামগ্রিক বৃদ্ধি ও রক্ত উৎপাদন করে। পারনিসিয়াস অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে।





thanks.


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন