করোনা ভাইরাস রোগ কি কারনে হয়।

 


করোনা- ভাইরাস রোগ কি কারনে হয়। সমগ্র পৃথিবীর অনেক মানুষের মনে একটা প্রশ্ন জাগে করোনা ভাইরাস রোগ কি কারনে হয়। গবেষকরা বলছেন যে যেসকল মানুষের শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা কম বা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম সেই সকল মানুষ জন কে খুব সহজেই বা খুব তাড়াতাড়ি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত করতে পারে। আরেকটা কারণ হলো আমাদের শরীরের ফুসফুস যদি খুবই দূর্বল প্রকৃতির হয় তাহলে কিন্তু আমাদের খুব সহজেই এই মারন ভাইরাস করোনা আমাদের কে তাড়াতাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলবে। বর্তমানে করোনা ভাইরাস একটি বায়ু বাহিত রোগে পরিণত হয়েছে যে‌ কেউ আক্সান্ত হতে পারে।

ইমিউনিটি ক্ষমতা: আমরা প্রায় সকলেই জানি আমাদের শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা যত বেশি থাকবে আমাদের স্বাস্থ্যের এবং শরীরের পক্ষে ভালো দিক আমাদের শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা বেশি থাকে তাহলে কোন রকম ভাইরাস জীবাণু রোগ বালা আমাদের কে সহজে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না আর যদি আমাদের ইউনিটি' ক্ষমতা কমে যায় তাহলে আমাদেরকে খুব সহজেই নানা রকম ভাইরাস জীবাণু রোগ আক্রান্ত করে ফেলবে এবং আমরা হাজারো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাব আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলবে খুব সহজেই এবং অতি তাড়াতাড়ি।

ফুসফুসের ক্ষমতা: আমরা জানি করোনাভাইরাস এ রোগটি একটি বায়ুবাহিত রোগ হয় এটি বর্তমানে বাতাসে মিশে গেছে তাছাড়া একজনের থেকে আরেকজনের ছড়াচ্ছে সেটা কিন্তু বায়ুর মাধ্যমে এবং আমরা যখন শ্বাস-প্রশ্বাস তখন আমাদের নিজেদের অজান্তে ওই করোনাভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এবং এটি প্রথমেই আমাদের ফুসফুসে আঘাত হানছে আমাদের যাদের ফুসফুসের ক্ষমতা ও ফুসফুস কমজোরি তাদের খুব সহজেই অ্যাটাক করে ফেলছে যাদের ফুসফুসের কার্যকারিতা অনেক বেশি তাদের সহজে অ্যাটাক করতে পারছেনা এই মরণ ভাইরাস করোনাভাইরাস।

লিভারের ক্ষমতা কমে গেলে: আমরা জানি মানবদেহে লিভার কতটা গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ এই অঙ্গটি যদি কোনো কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম না করতে পারে তার প্রভাব আমাদের সমস্ত অঙ্গের মধ্যে পড়ে লিভার এর কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে তাহলে আমরা যে খাদ্য গ্রহন করব সেখানে পুষ্টিগুণ আমাদের শরীর কোনদিনই পাবে না যার ফলে আমাদের শরীরের ভেতরে আস্তে আস্তে কমজোরি হতে থাকবে যার ফলস্বরূপ আমাদের যে কোন ভাইরাস সহজে অ্যাটাক করে ফেলবে এবং কোন ভাইরাসের মতো মারাত্মক ভাইরাস গুলো আমাদের সহজেই করতে পারে এবং আমরা সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ি।

ভাইরাসের উৎপত্তি: এটি অনেক বছর আগে প্রথমে বাদুড় জাতীয় জীবদেহে প্রথম দেখা দেয় তখন এই ভাইরাসের ক্ষমতা এত ছিল না এবং এই ভাইরাসটি বনে-জঙ্গলে আরো অন্যান্য পশু পাখিদের মধ্যে আস্তে আস্তে ছড়াতে থাকে এবং আস্তে আস্তে ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে থাকে এবং আস্তে আস্তে কয়েকটা বাদুড় এই ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে এবং শেষমেষ আস্তে আস্তে এই ভাইরাসের ক্ষমতা আরও বেড়ে যায় তখন একটা বাঁদূড় এই ভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে মারা যায় এবং জঙ্গলের আরো অনেক পশুপাখি কর্ণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যায় অগোচরে।

মানবদেহে: মানবদেহে কখন এই ভাইরাস প্রথম দেখা দিল সেটি হল অনেক দেশের কিছু মানুষজন আছে যারা নানা রকম বন জঙ্গলের বাঁ দুড় পশু পাখি জাতীয় এগুলোকে ধরে খাদ্য হিসেবে খায় এগুলোকে খাদ্য হিসেব খাওয়ার পর এই সকল পশুপাখি গুলো অনেক আগেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল এবং আমাদের মানব সভ্যতা না জেনে ওই ওষুধগুলো খাওয়ার পর মানবদেহে প্রথম করোনাভাইরাস দেখা দিল একজনের থেকে আরেকজনের হোতে হোতে সমগ্র মানবজাতি আজকে এই করোনাভাইরাস এর ভয়ঙ্কর অভিশাপের মুখে পড়ে গেছে এবং সারা পৃথিবী এই ভাইরাসের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত প্রতিদিন।




thanks.




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন